আমেরিকা , বুধবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৬ , ১৬ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
রাজধানীতে নাশকতার পরিকল্পনায় ৪ জন গ্রেপ্তার যুক্তরাষ্ট্রে সন্তান জন্মে ভিসা নয় : মার্কিন দূতাবাসের কঠোর বার্তা সীমান্ত সেতু নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র-কানাডা আলোচনায় জটিলতা বাইডেনের ক্ষমায় মুক্তি পাওয়া ব্যক্তি আবারও মাদক মামলায় অভিযুক্ত বাইডেনের ক্ষমায় মুক্তি পাওয়া ব্যক্তি আবারও মাদক মামলায় অভিযুক্ত মিশিগানে বাংলাদেশি হিন্দুদের জন্য অন্তিম সেবা ফাউন্ডেশনের যাত্রা শুরু রাসায়নিক সন্দেহে পুরো সপ্তাহ বন্ধ মিশিগান স্টেট ইউনিভার্সিটির ওয়েলস হল ঢাবি শিক্ষক ড. সুদীপ চক্রবর্তীকে একাডেমিক কার্যক্রম থেকে অব্যাহতি শুক্রবার শুরু হচ্ছে হল্যান্ডের ঐতিহ্যবাহী ‘টিউলিপ টাইম’ উৎসব ৫ ঈগলের অস্বাভাবিক মৃত্যুতে ডেল্টা কাউন্টিতে চাঞ্চল্য, তদন্ত শুরু স্কুল নিরাপত্তায় নতুন ধাপ : ডেট্রয়েটে ফেসিয়াল রিকগনিশন চালু অন্টারিও উপকূলে ভূমিকম্প, মিশিগানেও কম্পন অনুভূত হার্পার উডসে ঘরোয়া পার্টিতে গুলিতে তরুণ নিহত ঢাবি শিক্ষার্থীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার, শিক্ষক সুদীপ চক্রবর্তী গ্রেপ্তার যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসী ভিসা স্থগিত তালিকায় বাংলাদেশসহ ৭৫ দেশ সংসদ ভবনসহ গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনায় হামলার শঙ্কা নর্দার্ন মিশিগানের নিখোঁজ শিক্ষার্থীর মরদেহ লেক সুপিরিয়রে উদ্ধার সংস্কারের পর নতুন রূপে ফিরলো ডেট্রয়েটের শিল্পকলা জাদুঘর রিভারওয়াকে প্রাণচাঞ্চল্য ফিরে এলো, উন্মুক্ত করল কর্তৃপক্ষ টানা চতুর্থবার ‘বর্ষসেরা সংবাদপত্র’ নির্বাচিত হলো ‘দ্য ডেট্রয়েট নিউজ’

নার্সিং সেবার একাল ও সেকাল

  • আপলোড সময় : ০৪-০৫-২০২৩ ১২:৫১:২৪ পূর্বাহ্ন
  • আপডেট সময় : ০৪-০৫-২০২৩ ১২:৫১:২৪ পূর্বাহ্ন
নার্সিং সেবার একাল ও সেকাল
সিলেট. ০৪ মে : সমাজ বিবর্তনের ফলে অনেক চিত্র-ই বদলে যায়। যা কখনো উচিৎ আবার কখনো অনুচিত বলে বিবেচিত। আজ আমি আমার সেবিকা জীবনের দুটি চিত্র তুলে ধরেছি যার মধ্য দিয়ে তখনকার সেবার দিক নির্দেশনার চিত্র অত্যন্ত প্রখর ভাবে সহজেই অনুমেয় হবে বিজ্ঞজনদের বিবেকের বিচারে এটা আমার দৃঢ় বিশ্বাস। আমি তখনকার কয়টি সেবার  নমুনা দিচ্ছি  ১. আমরা ওয়ার্ডে ডিউটিতে এসে-ই আগে দায়িত্ব ভার বুঝে নিয়ে রোগীর বিছানা ( Bed making) করতে যেতাম, কারন কোন রোগীর কি রকম বিছানায় থাকা উচিৎ সেটা একজন নার্স ই জানে। যেহেতু একমাত্র নার্সই সর্বক্ষণ রোগীর কাছে থাকে। একজন মা যেমন তাঁর শিশুকে একা ফেলে যায় না তেমনি একজন নার্সও রোগীকে একা ফেলে যায় না। ২. জ্বর মাপা, পালস নির্ণয় করা সাথে জেনারেল কন্ডিশন, ৩. মেডিকেশন (টেবলেট ও ইনজেকশন) দেওয়া, ৪. অজ্ঞান ও অপারেশন রোগীদের Mouth care দেওয়া এবং ৫. Rise  Tube দেওয়া অজ্ঞান রোগীদের ও বাচ্চাদের নল দিয়ে Feeding দেওয়া ইত্যাদি করতে হতো । টিচার আসতো ভিজিট করতো। আরও অনেক কিছু করতে হতো । Temperature chart o Intake output chart Maintain করতে হতো।  এখন শুধু মেডিকেশন দেওয়া হয়।


কিন্তু কালের বিবর্তনে এখন আর সে সেবা নেই । আধুনিকতার বা ডিজিটালাইজেশনে সব উধাও !! রোগীর লোকেরা এখন দিচ্ছে। ছবিতে আমি একটি ব্রেইন স্ট্রোক রোগীকে Feeding দিচ্ছি। কারন কিছু নিয়ম আছে যা নার্স জানে তা অন্য মানে মেডিকেল parson ছাড়া অন্য কেউ জানে না। একটু অনিয়ম হলে রোগীর মৃত্যুও হতে পারে। তাই আমাদের করত হতো। অপারেশন রোগীদের ডাক্তার ড্রেসিং করে যেত কিন্তু পরের কাজ আমাদের-ই করতে হতো ছবিতে আমি  করছি । 
যাক আমার নার্সিং জীবনের সামান্য বিবরণ তুলে  ধরতে পারায় তৃপ্তি ও পুলকিত হচ্ছি। কালের স্রোতে আরও কতো পরিবর্তন, বিবর্তন আসবে কে জানে !! তবে শান্তি পাচ্ছি ঈশ্বর যে আমাকে সেই সেবা দান করার জন্য সুযোগ করে দিয়েছিলেন বলে। আমার সৌভাগ্য ছিল বলেই সেই মহৎ ও মহান কাজ করতে পেরেছি। আর্ত-পীড়িত মানুষের সেবা সবাই করতে পারে না ঈশ্বরের কৃপা ছাড়া। কর্মে ই প্রকৃত ধর্ম।  মানুষ তাঁর কর্মেই বেঁচে থাকে অনন্ত কাল,  আর মহাকাল তাঁর সাক্ষী হয়ে থাকে। আমার জীবন সার্থক কিনা জানিনা শুধু জানি আমার যে ব্রত ছিল শ্রী শ্রী ঠাকুর রামকৃষ্ণ, সারদা মা ও স্বামী বিবেকানন্দ "" জীবে প্রেম করে যে জন সে জন সেবিছে ঈশ্বর ''।  মানব সেবাই পরম ধর্ম। সেই সেবাতে যেন অহং বোধ না থাকে ।।
অমিতা বর্দ্ধন : কবি ও লেখিকা

নিউজটি আপডেট করেছেন : Suprobhat Michigan

কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ
ট্রয়ের ছুরিকাণ্ডে এক বছরের কারাদণ্ড

ট্রয়ের ছুরিকাণ্ডে এক বছরের কারাদণ্ড